মাহমুদুল-নাজমুলে সেঞ্চুরিতে আইরিশদের বিপক্ষে চালকের আসনে বাংলাদেশ: ইনিংস জয়ের হাতছানি:

মাহমুদুল-নাজমুলে সেঞ্চুরিতে আইরিশদের বিপক্ষে চালকের আসনে বাংলাদেশ: ইনিংস জয়ের হাতছানি:

৮ উইকেটে ৫৮৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ লিড পেল ৩০১ রানের। টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম লিড। ২০১৮ সালে মিরপুরে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ৩৯৭ রানের লিড পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল সুবিধাজক অবস্থান থেকে। কিন্তু দিনের শুরুতেই সেট ২ ব্যাটসম্যানদের বিদায়ের পর ইনিংস বড় করার কাজ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। মাহমুদুল ১৭১ ও মুমিনুল করেন ৮২। আগের দিনে সাদমান ইসলাম করেছিলেন ৮০ রান। ২৩ রানের বেশী করতে পারেনি মুশি। অন্যদিকে লিটন দাসকে সাথে নিয়ে নান্দনিক শট খেলতে থাকেন বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেন শান্ত। লিটন ৬০ রান করে সাজ ঘরে ফেরেন্ দলীয় ৫২৩ রানে। মেহেদি মিরাজকে সাথে নিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেন শান্ত। এর পরে ঠিক ১০০ রানেই অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন এর বলে এলবিডাব্লিউ এর ফাঁদে পড়ে সাজ ঘরে ফেরেন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিন। দলের রান তখন ৫৪৫।

১৩৮ ওভারে সাত উইকেটে ৫৭৫ রান করে চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ, লিড তখন ২৮৯ রানের। ফিরে এসে ১ উইকেট হারিয়ে আর ১২ রান তুলতেই ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। মিরাজ ১৭ হাসান মুরাদ ১৬ রানে আউট হন। হাসান মাহমুদ ১৩ ও নাহিদ রানা ৪ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ৫৮৭ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন। নাজমুলদের লিড দাড়ায় ৩০১ রানের।

আয়ারল্যান্ডের ম্যাথিউ হামফ্রিজ ১৭০ রান খরচায় ৫ উইকেট তুলে নেন। এছাড়াও ব্যারি ম্যাকার্থি ২টি ও অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ১টি উইকেট পান।

বিশাল রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি আইরিশদের। নাহিদ রানার বলে সরাসরি বোল আউট হন কেড কারমাইকেল দলীয় ১৪ রানে।  এর পর কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন পল স্টারলিং ও হ্যারি টাকার। কিন্তু স্টারলিং কে রান আউট করেন শান্ত। তার সংগ্রহ ছিল ৪৩ রান। এর পর তাইজুলের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে সাজ ঘরের পথ ধরেন হ্যারি টেক্টর ১৮ করে। দলের রান তখন ৬৮ রান।  কার্টিস ক্যাম্পারও ভরসা দিতে পারেনি। হাসান মুরাদের বলে সাদমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মাত্র ৫ রান করে। লরকান টাকার করেন ৯ রান। ইনিংস পরাজয় এড়াতে লড়ছেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও ম্যাথু হামফ্রেস ।

প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ২৮৬ রান। আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ৮৬ রানের সুবাদে এখনও ২১৫ রানে পিছিয়ে। বাংলাদেশের  ইনিংস জয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৫ উইকেট।

বাংলাদেশের হয়ে হাসান মুরাদ ২টি, নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম প্রত্যেকে ১টি করে উইকেট পান।

 

Leave a Reply